এইচএসসি পরীক্ষা নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে

প্রধান খবর শিক্ষা

নবদিন ডেস্ক:
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু করার ব্যাপারে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডগুলো। সব বিষয়েই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, তবে পূর্ণ নম্বর কমতে পারে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এই পরীক্ষার ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ কথা জানা গেছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চার সপ্তাহের সময় দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করব। কোন পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেব, কতটুকু পরীক্ষা নেব, সে ব্যাপারে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ৬ অক্টোবরের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে। ছয় মাস ধরে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে ধরে রাখা যায় না। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে কতগুলো বিষয়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যায়, সেটা আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি। যখন আমরা পরীক্ষা নেব, তখন কেউ যদি করোনায় আক্রান্ত হয়, তাদের কিভাবে মূল্যায়ন করা যায় সেই বিবেচনাও আমাদের থাকবে।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শিক্ষামন্ত্রীর কথামতোই নির্দিষ্ট সময়ে এইচএসসি পরীক্ষার ব্যাপারে জানানো হবে। আজ মঙ্গলবার জানিয়ে দেওয়া হতে পারে কখন বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করা হবে। মঙ্গলবারে যদি সম্ভব না হয় তাহলে বুধ-বৃহস্পতিবার পর্যন্তও সময় লাগতে পারে।

সূত্র জানায়, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনে দুটি বিকল্প সামনে রাখা হয়েছে। একটি হচ্ছে, প্রতি বিষয়ে ৫০ শতাংশ নম্বর কমানোর প্রস্তাব আছে। সে ক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে ব্যাবহারিক নেই, সেগুলোতে এমসিকিউ ও সৃজনশীল উভয় অংশের পূর্ণ মান থেকে ৫০ শতাংশ করে কমানোর চিন্তা আছে। আর যেগুলোতে ব্যাবহারিক আছে, সেগুলোতে ব্যাবহারিক নম্বর ঠিক রেখে অবশিষ্ট অংশের (এমসিকিউ ও সৃজনশীল) নম্বর সমন্বয় করে পূর্ণ নম্বর ৫০ শতাংশ কমানো হবে।

আন্ত শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার ব্যাপারে এরই মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী কথা বলেছেন। মন্ত্রণালয় থেকে যেভাবে নির্দেশনা পাব, সে অনুযায়ী আমরা পরীক্ষা গ্রহণে প্রস্তুত রয়েছি।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য ১১টি শিক্ষা বোর্ড প্রায় দুই হাজার ৫০০ কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু এখন প্রতি বেঞ্চে একজন শিক্ষার্থী বসিয়ে পরীক্ষা নিতে হলে প্রায় পাঁচ হাজার কেন্দ্রের প্রয়োজন হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *