বগুড়ার শেরপুরে বিশ্ব ডিম দিবস পালিত

প্রধান খবর বগুড়ার সংবাদ

মৌসুমী ইসলাম:
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ ডিম দিবস পালিত হচ্ছে। ‘প্রতিদিনই ডিম খাই, রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াই’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় বগুড়ার শেরপুরের প্রাণী সম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে বিশ্ব ডিম দিবস পালিত হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় শেরপুর উপজেলা হলরুমে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আমির হামজা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার। উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ মোঃ রায়হান’র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহ জামাল সিরাজী, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব আম্বিয়া, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মুন্সী সাইফুল বারী ডাবলু, উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর বদরুল ইসলাম পোদ্দার ববি, সাপ্তাহিক বিজয় বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসাইন, সাপ্তাহিক বিজয় বাংলা পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও শেরপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি দীপক সরকার, ডেইরী ফার্ম কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ সালে আল রেজা, উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এস এম সাহিদুল ইসলাম শাহিন, হাফেজ উদ্দিন, তাজমুল প্রমুখ।

উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আমির হামজা বলেন, ডিমে সুলভমূল্যে উচ্চমাত্রার প্রোটিন পাওয়া যায়। পরিবারের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে ডিমের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের মানুষ বছরে ডিম খায় গড়ে মাত্র ৪৫-৫০টি। অথচ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্যানুযায়ী, বছরে একজন মানুষের ন্যূনতম ১০৪টি ডিম খাওয়া উচিত।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী সেখ বলেন, ডিমে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন। পরিবারের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে ডিমের বিকল্প নেই। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একটি ডিম রাখা উচিত।

উল্লেখ্য, প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, স্বাস্থ্যবান ও মেধাবী জাতি গঠন– সর্বোপরি ডিমের গুণাগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৯৬ সাল থেকে এ দিনটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়ে আসছে।অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার প্রথম বিশ্ব ডিম দিবসের আয়োজন করা হয়। ডিমের গুণাগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে বর্তমানে বিশ্বের ৪০ দেশে পালিত হয় দিবসটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *