গিনেস বুক রেকর্ডসে স্থান পেল শেরপুরের সেই ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’

প্রধান খবর বগুড়ার সংবাদ

নবদিন ডেস্ক:

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’। মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের ওয়েবসাইটে এই রেকর্ডটি যুক্ত হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য ওয়েবসাইটে দুয়েকদিনের মধ্যে আপলোড করা হতে পারে।

শস্য ক্ষেতে মধ্যে বঙ্গবন্ধুর অবয়ব ফুটিয়ে তোলার কার্যক্রম ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ার পথেই ছিল। ধানের চারায় জাতির পিতার চিত্র ফুটিয়ে তোলার এই কাজ চলছে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বালেন্দা গ্রামে। এটি ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় শস্য চিত্র’ হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নিতে পারবে বলে আশা করছিলেন আয়োজকরা।

‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’র কার্যক্রমের আহ্বায়ক ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে আমাদের বিষয়টি (রেকর্ড) জানিয়েছে। তাদের ওয়েবসাইটে শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর তথ্য প্রকাশ করেছে। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে আমাদের অভিনন্দন জানিয়েছে। এটি একটি বড় অর্জন। দেশের জন্য বড় অর্জন। বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে এটিও তার একটি মাইলফলক।

গিনেস বুক ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের ওয়েবসাইটে ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলেও সেখানে কোন ছবি রাখা হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক ফয়জুল সিদ্দিকী সারাবাংলাকে বলেন, ‘গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের ওয়েবসাইটে ছবি দেখা যাবে না। গিনেস কর্তৃপক্ষ ছবি আপলোড করে না। চূড়ান্তভাবে গিনেস কর্তৃপক্ষ শস্যচিত্র বঙ্গবন্ধুকে রেকর্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এটিই এখন লার্জেস্ট ক্রপ ফিল্ড মোজাইকের বিশ্ব রেকর্ড।’

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকেয়ার নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদ’ দুই মাস আগে ১০৫ বিঘা জমিতে এই কাজের প্রস্তুতি শুরু করে। কোনো নেতার গিনেস বুকের ‘লার্জেস্ট ক্রপ ফিল্ড মোজাইক (ইমেজ)’ শাখার নতুন রেকর্ড এটি। এর আগের রেকর্ডটি চীনের দখলে। ১৯১৯ সালে ৭৯ হাজার ৫০৫ দশমিক ১৯ বর্গমিটার আয়তনের জমিতে চার রঙের ধানের চারায় কাউ ফিশের ছবি ফুটিয়ে তোলে সাংহাইয়ের লেজিদাও টুরিজম ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিডেট ওই রেকর্ড গড়েছিল।

সম্প্রতি শস্যের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর অবয়ব ফুটিয়ে তোলার কার্যক্রম ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ পরিদর্শন করে গেছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডের প্রতিনিধি দল। গত ৯ মার্চ বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বালেন্দা গ্রামে এই কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তারা। একসপ্তাহ পরই সেটি গিনেস বুকে অন্তর্ভুক্ত হলো রেকর্ড হিসেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *