বগুড়ায় আলু উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক

প্রধান খবর বগুড়ার সংবাদ

বাসস:
জেলায় ক্ষেত থেকে আলু উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবার বগুড়ায় আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ৫৮ হাজার ৬শ’ হেক্টর জমিতে। কিন্তু এবার বগুড়াতে প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষ কম হয়েছে। এবার আলু চাষ হয়েছে ৫৭ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমিতে। গতবছর জেলায় আলু উৎপাদন হিেয়েছল ১১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৮০ টন। এখন পর্যন্ত ঠিক কি পরিমাণ আলু উত্তোলন হয়েছে অনুমান করা যাচ্ছে না বলে জানানÑ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক এনামুল হক।

কারণ আলু উত্তোলন চলমান রয়েছে। কৃষক আব্দুল লতিফ জানান, এবার আলু ক্ষেতে রোগবালই ছিল না। বা লেটব্রইট রোগেও আক্রান্ত হয়নি, তাই উৎপদান বেশি হওযার আশা করছেন। বগুড়ায় নানা জাতের আলু উৎপাদন হয়ে থাকে। এখানে স্থানীয় লাল ফাটা পাখড়ি, রুমান, উচ্চ ফলনশীল আলু কার্ডিনাল, গ্রানুলা, লেডি রোজেটা, বিনোলা, এস্টিনিক্স। এ মুহূর্তে জেলায় লাল ফাটা পাখড়ি, গ্রানুলা বেশি উৎপাদন হয়ে থাকে। এর মধ্যে লাল ফাটা পাখড়ির জনপ্রিয়। এ ছাড়া স্থানীয় একটি জাতের আঠালো আলু (হাগড়াই) ভর্তার জন বেশি জনপ্রিয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক এনামুল হক জানান আলুর দাম এখন কিছুটা কম হলেও সংরক্ষণের জন্য যখন আলু ব্যবসাীয়রা হিমাগারে রাখার জন্য কিনবে তখন আলুর ন্যায্য মূল্য পাবে। কৃষক যাতে ন্যায্য মূল্য পায় তার সব রকমসব রকম পরমর্শ দেয়া হচ্ছে।
শাখারিয়ার আলু চাষি রফিক মোল্লা জানান, ভালো দাম পাবার জন্য তারা মাঠ থেকে আলু তুলেন না। সংরক্ষণের জন্য যখন হিমাগারে আলু ব্যবসায়ীরা কেনার উদ্যোগ নেবে তখনই তারা আলু ক্ষেত থেকে উঠাবে। এই আলু বিদেশে রপ্তানি উপযোগী হয়ে উঠবে। জেলায় ৩৭টি হিমাগার আছে যার ধান ক্ষমতা প্রায় ৩ লাখ ৫১ হাজার ৬শ’ টন। জেলায় সংরক্ষিত আলু ছাড়াও জেলার আশপাশের জেলাতে সংরক্ষণের জন্য ব্যবসায়ীরা নিয়ে যায়। তখন আলুর ভালো মূল্য পায় কৃষক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *